বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮

রসায়ন বিভাগ

ভূমিকা

রসায়ন বিভাগের বিজ্ঞানিীরা সুদীর্ঘ চার দশকের অধিক সময় ধরে বিভিন্ন পদ্ধতির উন্নয়ন ও বিকাশ সাধনের মাধ্যমে বিভিন্ন নমুনায় সুক্ষ্ম-মৌল, অতিসুক্ষ্ম-মৌল (বিষাক্ত এবং প্রয়োজনীয়) এবং বিষাক্ত জৈব যৌগের বিশ্লেষণধর্মী গবেষণায় নিয়োজিত আছেন। মানবে দেহ ও পরিবেশের উপর এ সকল উপাদান ও যৌগের কি প্রভাব তা জানার লক্ষ্যে বর্তমান বিশ্বে গবেষণা কার্যক্রম প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমতাবস্থায়, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে রসায়ন শাস্ত্রের সুনির্দিষ্ট কিছু শাখা যেমন পরিবেশ দূষণ, খাদ্য দুষণ, মানব স্বাস্থ্য, পুষ্টি, দূষণ-প্রতিক্রিয়া, মৌল বিশ্লেষণে নিউক্লিয়ার এনালাইটিক্যাল কৌশল এবং শিল্পে ট্রেসার টেকনোলজির ব্যবহার প্রভৃতিতে রসায়ন বিভাগের গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এছাড়াও রসায়ন বিভাগ সমন্বিত গবেষণা কার্য্যক্রমের অংশ হিসেবে বিশেষ মঞ্জুরী কর্মসূচী ও গঙঝঞ এর আওতায় আই.এইএ/আরসিএ কাঠামো অনুযায়ী বিভিন্ন গবেষণামূলক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহণ করে থাকে।

 

লক্ষ্য/ উদ্দেশ্য

এই বিভাগের উদ্দেশ্য হল গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে আর্থ সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখা। উল্লেখযোগ্য গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম গুলি হলোঃ

  •  মৌলের সামান্যতম অংশ পরিমাপের জন্য নিউক্লিয়ার এবং নন-নিউক্লিয়ার কৌশলের উন্নতি সাধন ও প্রতিষ্ঠাকরণ।
  • বাংলাদেশের বায়ুর গুনগত অবস্থা নিরূপণের মাধ্যমে আঞ্চলিক বায়ুদূষণ পর্যালোচনা করা। 
  •  ক্ষতিকর বিষাক্ত মৌল সমূহের দ্বারা খাদ্য দ্রব্য দূষণের কারণে সম্ভাব্য স্বাস্থ্য ঝুঁকি পর্যালোচনা।
  • বেস লাইন ডাটা তৈরির লক্ষ্যে রূপপুর পারমানবিক বিদুৎ প্রকল্প এলাকার পরিবেশগত বিভিন্ন পদার্থ যেমন মাটি, পানি, নদীর তলানী, মাছ, জলজ উদ্ভিদ ও শাকসবজি পর্যালোচনা এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষন করা।
  • মানব স্বাস্থ্যে ধাতব মৌলের ভূমিকা এবং বিভিন্ন ধরণের রোগের সাথে এদের আÍ:সম্পর্কীয় গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা। 
  • পুষ্টিগুণ, বিষক্রিয়া যাচাই এবং রোগ নির্ণয়ের জন্য মানব দেহের বিভিন্ন অংশ যেমন রক্ত, রক্তরস, টিস্যু, চুল ও নখ ইত্যাদিতে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ও ক্ষতি কারক মৌলের পরিমাণগত বিশ্লেষণ।
  • খাদ্যে বিষক্রিয়া সর্ম্পকে জন সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন ধরণের খাদ্যদ্রব্যে দূষকের পরিমাণ নির্ণয় এবং বিশ্লেষনীয় ফলাফল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করণ।
  •  ন্যানো মেটারিয়াল এবং স্বল্প মূল্যের শোষক ব্যবহার করে পরিবেশ থেকে ক্ষতিকর মৌল অপসারণ
  • সামুদ্রিক পরিবেশ বিশেষ করে সমুদ্রের অম্লতা বৃদ্ধির উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সংক্রান্ত গবেষণা
  • সামুদ্রিক ইকো সিস্টেমের উপর প্রাকৃতিক ও মানব কর্মকান্ডের প্রভাব যাচাই করণ
  • শিল্পে ট্রেসার টেকনোলজির ব্যবহার।
  • পরিবেশগত এবং প্রাণীর নমুনায় ক্ষতিকর জৈব যৌগের অনুসন্ধান করা।
  • সেচ করার জন্য তরল বর্জ্যের উপযোগিতা যাচাই করণ।
  • জলীয় পদার্থের তড়িৎ রাসায়নিক বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত স্বল্প মূল্যের অবস্থান্তরিত ধাতব ইলেকট্রোডের তড়িৎ রাসায়নিক পর্যালোচনা।

 

কার্যক্রম:

গবেষণা কার্যক্রম:

  • বায়ু দূষণ পর্যালোচনা
  •  বায়ুর নমুনায় বিভিন্ন দূষকের বিশ্লেষণ।
  • বায়ুর নমুনায় পিএম ২.৫এবং পিএম ১০ নিয়মিত পর্যবেক্ষন।
  • জলীয় নমুনার আয়নিক বিশ্লেষণ।

নিউক্লিও-বিশ্লেষণ মূলক রসায়ন

বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্য এবং পরিবেশ গত ও প্রাণীজ রোগ নির্ণয়ে সরবরাহকৃত নমুনায় সুক্ষ্ম/ভারী  মৌলের বিশ্লেষণ ।

  •  ভৌত রাসায়নিক ও ভূ-রাসায়নিক পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলাদেশের পানীয় জলের গুণগত মান পরীক্ষা করা।
  •  দূষণ মাত্রা (বিশেষত খাদ্য দ্রব্যে) নির্ণয়ের মাধ্যমে এর স্বাস্থ্য ঝঁকি পর্যালোচনা।
  • দেশের বিভিন্ন নদী সমূহের দূষণ মাত্রা নির্ণয়ের মাধ্যমে বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা।

বিশ্লেষণীয় ও পরিবেশ সম্পর্কিত রসায়ন

  • ভেলিডেটেড এবং এক্রিডেটেড পরীক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার করে খাদ্য, পানি, পরিবেশগত ও জৈব নমুনায় প্রয়োজনীয় ও ক্ষতি কারক মৌলের পরিমাণ নির্ণয়, রোগ নির্ণয়ের উদ্দেশ্যৈ মানব-মুত্র, রক্তের জলীয় অংশ, চুল, নখ ইত্যাদি নমুনায় ভারী মৌলের উপস্থিতি ও পরিমাণ নির্ণয়
  •  ন্যানো মেটেরিয়ালের সংশ্লেষণ এবং পরিবেশে বিভিন্ন ধরণের দূষক দূরীকরণে এদের ব্যবহার
  • বিভিন্ন ধরনের মানব খাদ্যে ভারী ধাতুর পরিমান নির্ণয় এবং মানব স্বাস্থ্যেও উপর এর প্রভাব পর্যবেক্ষণ
  • পরিবেশগত ও জৈব নমুনায় ওঈচ-গঝ পদ্ধতিতে অতি সুক্ষমাত্রায় তেজষ্ক্রিয় মৌলসহ অন্যান্য ভারী ধাতুর উপস্থিতি ও পরিবেশের উপর এদের প্রভাব নির্ণয়
  • জলীয় নমুনায় বিভিন্ন আয়নিক ও ফিজিক্যাল প্যারামিটার বিশ্লেষণ।

জৈব রসায়ন

  • পরিবেশ গত নমুনায় বহু চক্রীয় সুগন্ধি হাইড্রো কার্বন ও খনিজ হাইড্রো কার্বনের বিশ্লেষণ (যেমনঃ মাটি, পানি, শাকসবজি ইত্যাদি) 
  •  পরিবেশ গত ও প্রাণীজ নমুনায় ফেনল ও ফেনল জাতক বিশ্লেষণ
  • পরিবেশ গত নমুনা পানিতে এন্টিবায়োটিকের (সেফালোসপরিন ও পেনিসিলিন) বিশ্লেষণ।
  • পরিবেশ গত নমুনায় কিছু ক্লোরো-যৌগের এবং প্রকৃতিগত পন্যে প্রয়োজনীয় তৈলের বিশ্লেষণ।

তড়িৎ রসায়ন

  • পানি , মাটি, কঠিন শিলার মধ্যে বিষাক্ত উপাদান এবং রেডিও নিউক্লাইড নির্ণয়।
  •  ধাতু-জৈব জটিল যৌগের বৈশিষ্ট্য নিরূপণ।
  • তড়িৎ রাসায়নিক পদ্ধতিতে অবস্থান্তরিত সংকর ধাতুর ইলেকট্রোড দ্বারা জ্বালানি হাইড্রোজেন উৎপাদন।

 

সেবা প্রদানঃ

রসায়ন বিভাগ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, শিল্প, এনজিও, হাসপাতাল, ক্লিনিক, বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সরবরাহকৃত নমুনা বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিয়মিত ভাবে  সেবা প্রদান করে থাকে। রসায়ন বিভাগে সেবার গুণগত মান অক্ষুন্ন রেখে প্রধানতঃ নিম্নোক্ত বিষয়ের উপর সেবা প্রদান করা হয় ঃ
  •  স্বর্ণ ও রৌপ্য পদক এবং অলংকারের খাঁটিত্ব পরীক্ষা।
  •  রোগ নির্ণয়ে মূত্রে কপার, মানব চুলে আর্সেনিক, রক্তের জলীয় অংশে কপার ও জিংক রক্তে সীসা এবং নখে সেলিনিয়াম নির্ণয়। 
  • খাদ্যদ্রব্য,পরিবেশগত ও প্রাণীজ নমুনা এবং চিকিৎসার্থে সরবরাহকৃত নমুনায় বিভিন্ন মৌলের নূন্যতম উপস্থিতির পরিমাপ।
  • পানির বিভিন্ন ভৌত ও রাসায়নিক সূচক নির্ণয়।
  •  পানিতে আর্সেনিক, বিষাক্ত উপাদান এবং জীবাণুশক ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট উপজাত নির্ণয়।
  •  খাদ্য দ্রব্য, রপ্তানিযোগ্য এবং আমদানীকৃত মিঠা পানির মাছ ও চিংড়িতে ভারী মৌল নির্ণয়।
  •  শিল্পে ব্যবহৃত কাঁচামাল এবং শিল্পজাত পর্ণ যেমনঃ ঔষধ, অকটেন বুস্টার, সার, প্লাস্টিক দ্রব্যাদি, ইস্ট পাউডার, পশুখাদ্য ইত্যাদিতে, ভারী মৌলের উপস্থিতি নির্ণয়।
  •  ফেসিয়াল ক্রিমের মধ্যে মারকারি নির্ণয়।
  • পানিতে ফেনল এবং ফেনলজাত যৌগ নির্ণয় ।
  •  পানি ও মাছে বিষাক্ত বহুচক্রীয় সুগন্ধি জৈব যৌগ যেমন এনথ্রাসিন, পাইরিন, ফ্লুরিন ও বেনজো-পাইরিন ইত্যাদি। 
  • প্রকৃতিগত বিভিন্ন পণ্যের জৈব বিশ্লেষণ। 
  •  শিল্প এলাকার পার্টিকুলেট ম্যাটার, লেড, আর্সেনিক ও এসিড মিস্ট পরিমাপ নির্ণয়।

শিক্ষা-বিষয়ক কার্যক্রমঃ

বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে রসায়ন বিভাগের সহযোগিতা মূলক কর্মসূচীর সুন্দর ধারা বাহিকতা বিদ্যমান রয়েছে। রসায়ন বিভাগের নিজস্ব গবেষণা সুবিদা এবং তত্ত্বাধানে এসব বিশ^বিদ্যালয় এবং প্রতিষ্টান থেকে আগত শিক্ষার্থীরা তাদের এম.এসসি/এম.ফিল/ এম.ডি/ পি-এইচ.ডি/এফ.সি.পি ইত্যাদি ডিগ্রির জন্য গবেষণা করে থাকেন।

 

অর্জিত সাফল্য

  • এই বিভাগের এনাল্যাইটিক্যাল কেমিস্ট্রি ল্যাবরেটরি ২০১৫ সনে Acreditation Certificate অর্জন করেছে যার ফলে এ ল্যাবের এনালাইসিস রির্পোট আন্তর্জাতিক ভাবে গ্রহণ যোগ্যতা পাবার সক্ষমতা অর্জন করেছে।
  • এনাল্যাইটিক্যাল কেমিস্ট্রি ল্যাবরেটরি বাংলাদেশের একমাত্র ল্যাবরেটরি যেখানে উইলসন রোগ নির্ণয়ের Diagnosis সেবা প্রদান করা হয়।
  •  এনাল্যাইটিক্যাল কেমিস্ট্রি ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীগণ গত এপ্রিল ২০১৭ সুনামগঞ্জ জেলার হাওড় এলাকার জলজ প্রাণির ব্যাপক প্রাণনাশের কারণ তেজষ্ক্রিয় মৌলসহ অন্যান্য ক্ষতিকর মৌলের উপস্থিতি জনিত কারণে নয়, তা নিশ্চিত করেন।
  • ওপ্তানী যোগ্য মৎস ও মৎস্য পণ্যের QA/QC  সনদ এনাল্যাইটিক্যাল কেমিস্ট্রি ল্যাবরেটরি থেকে প্রদান করা হয়ে থাকে।
  • এনাল্যাইটিক্যাল কেমিস্ট্রি ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীগণ আমদানীকৃত সর্বাধিক ভোগ্য কিছু প্রজাতির মাছের মধ্যে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী ভারী ধাতব মৌলের অতি মাত্রার উপস্থিতি ও পরিমাণ নির্ণয় পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।
  •  উইলসন রোগ নির্ণয়ে সনাতন পদ্ধতির পরিবর্তে এনাল্যাইটিক্যাল কেমিস্ট্রি ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীগণ একটি বিকল্প পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন যার মাধ্যমে আরও সঠিক, দ্রুত ও তাৎক্ষণিকভাবে রোগ নির্ণয় সম্ভব হবে। 
  •  এনাল্যাইটিক্যাল কেমিস্ট্রি ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীগণ Rapid Action Battalian (RAB) কর্তৃক প্রেরিত কিছু ফেয়ারনেস ক্রীমে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী পারদের উপস্থিতি নিশ্চিত করেন যার ফলে সরকার সে সব ফেয়ারনেস ক্রীম বাজারজাত করা নিষিদ্ধ করেন।
  •  Atmospheric and Environment Chemistry  ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীগণ স্বর্ণ ও রৌপ্য পদকের খাঁটিত্ব পরীক্ষাটি Non-destructive Nuclear Method ব্যবহার করে প্রায় ৪০ বৎসর যাবৎ করে আসছে। 
  •  মানবদেহে মাথার চুলে আর্সেনিকের মাত্রা নির্ণয়ের মাধ্যমে ‘আর্সেনোকোসিস’  রোগের Diagnosis এর ক্ষেত্রে  Atmospheric and Environment Chemistry ল্যাবরেটরি ভূমিকা পালন করছে।
  • বিজ্ঞানীবৃন্দ স্বর্ণ ও রৌপ্যপদকে খাঁটিত্ব নির্ণয়ে বিশ্বস্ততা অর্জন করেছে যার ফল শ্র“তিতে ‘ইন্দিরা গান্ধী স্বাধীনতা সম্মামনা ক্রেষ্ট’, মুক্তিযুদ্ধ সম্মামনা ক্রেষ্ট’, মুক্তিযুদ্ধ সম্মান ক্রেষ্ট ২০১৭ এই গবেষণাগারেই পরীক্ষা করা হয়।
  •  রূপপুর পারমানবিক চুল্লী প্রকল্প এলাকার মাটি, নদীর তলানী, নদীর পানি, ভূ-গর্ভস্থ পানি, শাকস্বজি এবং মাছের নমুনার Base-line data তৈরী এই বিভাগের ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীগণ গবেষণার দ্বারা প্রণয়ন করেন।
  •  বায়ুতে বিদ্যমান বস্তুকনা এবং এর উৎস নিরূপণ এ বিভাগের একমাত্র Atmospheric and Environment Chemistry ল্যাবরেটরিতে হয়ে থাকে।
  • ভূ-গর্ভস্থ  পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি এ বিভাগের বিজ্ঞানীবৃন্দ পর্যবেক্ষন করে থাকেন।
  • Atmospheric and Environment Chemistry ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীরা সর্বপ্রথম বাতাসে সীসার উপস্থিতি নিরূপন করেন যার ফলস্রুতিতে বর্তমানে Unleaded Gasoline আমদানি হচ্ছে।
  •  এ বিভাগের বিজ্ঞানীরা সর্বপ্রথম বাতাসে অতিরিক্ত বস্তুকণা ও কালো কার্বনের উপস্থিতি নিরূপন করেন যার ফলস্রুতিতে মোটরযানে CNG ব্যবহার হচ্ছে।
  • মানবদেহের রক্তের নমুনায় সীসার মাত্রা নিরূপণের পদ্ধতি উদ্ভাবন যার মাধ্যমে অটিজমের সম্পৃক্ত করন” Atmospheric and Environment Chemistry ল্যাবরেটরির একটা বিরাট সাফল্য।
  • চিটাগাং মেট্রোপলিটন পুলিশ হতে প্রেরিত “ঘন চিনির” নমুনায় জৈব রসায়ন গবেষণাগারের বিজ্ঞানীরা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী সোডিয়াম সাইক্লামেটের উপস্থিাত নির্ণয় সংক্রান্ত গবেষণা করেন।
  •  গুড়া দুধের নমুনা পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে ম্যালামাইন এবং লেডের উপস্থিতি এর পরিমান নির্ধারন।

নাগরিক সেবা: 

সেবার নাম ও সেবার বর্তমান মূল্য (টাকায়)


Share with :

Share with :

Facebook Facebook